Main Menu

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান-এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক

 ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অনন্য গৌরব উজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়, বিশ্বমানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর থেকেই বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন শুরু করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান- এই সব আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার চেতনাকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

১৯৭১ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী বাঙালিদের উপর গণহত্যা শুরু করে। এর প্রতিবাদে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অসম যু*দ্ধে অবতীর্ণ হন। তারা অস্ত্রশস্ত্রের অভাবেও সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করে যান। অবশেষে, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, ঢাকায় আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি বাহিনী। এর মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় মহান বিজয়।

লাখ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাঙালির বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার স্বর্ণোজ্জ্বল দিন আজ। বিজয় উৎসবের মূলে রয়েছে লাখ শহীদের বুকের তাজা রক্ত আর অগণিত মানুষের সীমাহীন ত্যাগ, যা জাতীয় জীবনে অম্লান ইতিহাস। আনন্দ অনেকভাবেই আসতে পারে জীবনে। কিন্তু মাতৃভূমির পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তির জন্য প্রাণ উত্সর্গ করা যুদ্ধজয়ের আনন্দের কোনো তুলনা হয়! ৫৫ হাজার বর্গমাইলের এই সবুজ দেশে ৫২ বছর আগে আজকের এই দিনে উদিত হয়েছিল বিজয়ের লাল সূর্য। মুক্তিপাগল বাঙালি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে এনেছিলো। যে সূর্য কিরণে লেগে ছিল রক্ত দিয়ে অর্জিত বিজয়ের রং। সেই রক্তের রং সবুজ বাংলায় মিশে তৈরি করেছিল লাল সবুজ পতাকা। সেদিনের সেই সূর্যের আলোয় ছিল নতুন দিনের স্বপ্ন, যে স্বপ্ন অর্জনে অকাতরে প্রাণ দিয়েছিল এ দেশের ৩০ লাখ মানুষ। নয় মাসের জঠর-যন্ত্রণা শেষে এদিন জন্ম নেয় একটি নতুন দেশ, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে স্বাধীনতার যে সূর্য অস্তমিত হয়েছিল সেটির উদয় ঘটে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। বিজয়ের মহামুহূর্তটি সূচিত হয়েছিল আজকের এই দিনে। ৯১ হাজার ৫৪৯ পাকিস্তানি সৈন্য প্রকাশ্যে আত্মসমর্পণ করেছিল। ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী মিত্র বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের সর্বাধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিত্ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেছিলেন। দেনদরবার নয়, কারও দয়ার দানে নয়, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের পর নত মস্তকে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজয় মেনে নেয়। পৃথিবীতে নতুন একটি রাষ্ট্র হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। আর এই বিজয়ের মহানায়ক হিসাবে যিনি ইতিহাসে চির অম্লান ও ভাস্বর হয়ে আছেন তিনি হলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য অপরিসীম। এই বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতি অর্জন করে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। এই বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতি বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। এই বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতি প্রমাণ করে দেয় যে, তারা স্বাধীনতাপ্রিয় জাতি। তারা যেকোনো মূল্যে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য লড়াই করতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে রয়েছে অনেক অমর বীরত্বগাথা। যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী অনেক মুক্তিযোদ্ধা মৃত্যুবরণ করেন।

এই বিজয়ের জন্য প্রাণ দিয়েছেন অগণিত বীর মুক্তিযো*দ্ধা। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা। তাদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।

এই দিনে আমরা স্মরণ করি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তাঁর নেতৃত্বেই আমরা অর্জিত করেছি এই মহান বিজয়।

মহান বিজয় দিবস আমাদের জন্য এক গৌরবময় দিন। এই দিনটিতে আমরা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আরও সুদৃঢ় করতে শপথ গ্রহণ করি।

এই দিনে আসুন আমরা সকলে মিলে দেশপ্রেম ও ঐক্যবদ্ধতার বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমরা আমাদের দেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য কাজ করি।

বাংলাদেশের সকল নাগরিক, বিশেষ করে বীর মুক্তিযো*দ্ধা, তাদের পরিবারের সদস্য এবং তাদের উত্তরাধিকারীদের জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। এই দিনে আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি যে, আমরা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করব। আমরা আমাদের দেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে পরিণত করব।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধ কালীন সময়ে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও রুহের মাগফিরাত এবং দেশবাসী সহ সিলেট জেলা ও বিশ্বনাথ পৌরসভার সকল নাগরিকবৃন্দের প্রতি বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান-জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আইনি সহায়তা বিষয়ক উপ- কমিটি সিলেট জেলা ও মহানগর এর সদস্য,বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ,জজ কোর্ট সিলেট এর সদস্য,বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এর আজীবন সদস্য,কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের আজীবন সদস্য, সিলেট জেলা বারের জন প্রিয় আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Raih maxwin dengan bet kecil 100 perak cuma di slot bet 100 yang memastikan kemenanganmu main slot hari ini, Jadi pemenang hanya dengan bet 100 rupiah.

Jangan lewatkan kesempatan maxwin di situs slot mahjong ways 2. Bergabunglah sekarang dan nikmati serunya permainan mahjong slot dengan fitur yang canggih!

Eksplorasi keseruan di situs judi terpercaya slot joker123 gaming dan tembak ikan online. Keberuntungan menanti anda dalam setiap putaran! Daftar sekarang.

MAUSLOT menyediakan daftar situs slot gacor hari ini pragmatic play dan demo slot terpercaya. Temukan keberuntungan kamu dengan beragam opsi game eksklusif.

Slot Deposit 10 Ribu menyuguhkan sensasi bermain slot yang pastinya seru dan nyaman, Bersama situs terpopuler dan termurah jangan sampai kalian lewatkan.

Slot Qris memperkenalkan deposit via QRIS, memudahkan, cepat, dan aman.